ব্রেকিং নিউজ
আলামিন হত্যা মামলায় পঞ্চগড়ে সাবেক এমপি নাঈমুজ্জামান মুক্তা গ্রেপ্তার শিশুর অধিকার ও নিরাপদ ভবিষ্যতের বার্তা নিয়ে নেত্রকোণায় শিশু দিবস পালিত বিআরটিসির ডিজিএম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে কোটি টাকার কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ, দুদকে তদন্ত আবেদন নান্দাইলে কম্পিউটার দোকানে ভুয়া এনআইডি তৈরির অভিযোগ, ১৯টি সিলসহ মালিক আটক নেত্রকোনায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে শিক্ষক দিবস পালিত রাজশাহীর মোহনপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন, শিক্ষকদের দাবিতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা
×

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯/৮/২০২৬, ১১:৫০:২৬ PM

পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি ও বিক্রির অভিযোগে ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া গ্রেপ্তার

অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির অভিযোগে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামের এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার ও তার সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। একই ঘটনায় মেয়ের কর্মকাণ্ডে সায় দেওয়া এবং এর মাধ্যমে অর্থ গ্রহণের অভিযোগে সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে।

অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির অভিযোগে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামের এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার ও তার সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। একই ঘটনায় মেয়ের কর্মকাণ্ডে সায় দেওয়া এবং এর মাধ্যমে অর্থ গ্রহণের অভিযোগে সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে।ডিবি পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের একটি দল রাজধানীর বসুন্ধরা ও বাড্ডা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, গত ১০ আগস্ট নিয়মিত সাইবার নজরদারির সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম চ্যানেলে আপত্তিকর কনটেন্ট এবং সেগুলো বিক্রির প্রচারণার বিষয়টি তাদের নজরে আসে। পরে তদন্তে জানা যায়, বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করত চক্রটি। নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ও দেওয়া হতো, যার মূল্য ছিল ৩ হাজার ৫০০ টাকা।ডিজিটাল নজরদারির মাধ্যমে অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর গত ১১ আগস্ট রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় ডিবি। এ সময় সুমাইয়াকে আটক করা হয়। তল্লাশিতে তার কাছ থেকে একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।


পরে সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডার ‘ঢাকা পপুলার ট্রাভেলস’ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তার প্রধান সহযোগী ও প্রেমিক খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, সুমাইয়া ও তার কয়েকজন সহযোগী সংঘবদ্ধভাবে এ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদ মেয়ের এসব কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, মেয়েকে বাধা দেওয়ার পরিবর্তে তিনি ওই কর্মকাণ্ড থেকে পাওয়া অর্থের একটি অংশ গ্রহণ করতেন।

এ ঘটনায় রাজধানীর রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর আওতায় একটি মামলা করা হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট চক্রের অন্য পলাতক সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে হাজির করে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।